‘আমি ক্ষমা চাইছি…’, স্বামী বিবেকানন্দ স্মরণ করে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? প্রধানমন্ত্রীর ‘আদর্শ’ মেনেই BSF জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলিতে শুভেন্দু

Last Updated:

Suvendu Adhikari: প্রধানমন্ত্রীর ‘আদর্শ’ মেনেই BSF জওয়ানদের সঙ্গে সুন্দরবনের সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে শুভেন্দু অধিকারী! স্বামী বিবেকানন্দ স্মরণ করে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? দীপাবলিতে কীসের জন্য চাইলেন ক্ষমা?

দীপাবলিতে সীমান্তে জওয়ানদের সঙ্গে শুভেন্দু
দীপাবলিতে সীমান্তে জওয়ানদের সঙ্গে শুভেন্দু

সুন্দরবন: বিএসএফ জওয়ানদের সঙ্গে সুন্দরবনে বিএসএফ ক্যাম্পে দীপাবলি পালন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। হিঙ্গলগঞ্জের মঞ্চ থেকে বললেন, “দেশের সীমানায় যাঁরা প্রথম সুরক্ষা দেয়, তাঁদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। খুশির আবহে আপনারা দেখা করতে দিলেন তাঁর জন্যে ধন্যবাদ।”

পূর্ববর্তী সরকারের তরফে ক্ষমা প্রার্থনা :

এদিনের মঞ্চ থেকেই আগের সরকারের কৃতকার্যের জন্যে ক্ষমা চাইলেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আগের সরকার বিএসএফের সঙ্গে যে অভব্য আচরণ করেছেন তার জন্য আমি আগের সরকারের তরফে ক্ষমা চাইছি। তবে ওইসব ছেড়ে দিন। গণতন্ত্রে মানুষের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। তা মানুষ বুঝিয়ে দিয়েছে। স্বামী বিবেকানন্দর কথায় চরৈবতি চরৈবতি।”

মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “আজ গোটা দেশ দীপাবলি পালন করছে। আর আপনারা পরিবার থেকে দূরে আমাদের সীমান্ত সুরক্ষা করছেন। তাই আমি আপনাদের কাছে এসেছি। প্রধানমন্ত্রী সীমান্ত এলাকায় গিয়ে জওয়ানদের সঙ্গে সময় কাটান দীপাবলিতে। ওঁর আদর্শ মেনে আমি আজ এসেছি আপনাদের সঙ্গে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংও সেনা ক্যাম্পে আছেন। তাঁকেও আমার ধন্যবাদ!”

সীমামিত্র পুরষ্কার চালু, রাজ্যে মেটানো হয়েছে জমির সমস্যা:

জমি সমস্যা মেটানোর প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “দেশের সুরক্ষা আসল কথা। সেটাতেই আমাদের প্রাধান্য। গত ছয় মাসে তাই বারবার কো-অর্ডিনেশন মিটিং করেছি। জমি দিয়েছি আমরা। আইজি বিএসএফের কথা আমি শুনলাম। প্রথম কাজ বিকাশের। তা ডিসেম্বরের মধ্যে ব্যবস্থা হবে। বিকাশের কাজ হবে। ভ্রাইব্যান্ট ভিলেজ হচ্ছে। আর সীমামিত্র পুরষ্কার স্বীকার করে নিলাম। সীমান্তের যুবদের চাকরির ব্যবস্থা করা হবে। ২০২৭ সাল থেকে সীমামিত্র পুরষ্কার চালু হয়ে যাবে। বিএসএফ, এসএসবি ও পুলিশ দেখবে। স্বচ্ছতার সঙ্গে হবে।”

পুলিশ ও প্রশাসনিক আশ্বাস:

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “থানায় থানায় পরিকাঠামো ও কো-অর্ডিনেশন হবে। আমি দায়িত্ব নিয়ে এগারো হাজার পুলিশ নিয়োগে করেছি। ডিসেম্বরে বাংলা পুলিশে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। আবার কনস্টেবল নিয়োগের কাজ হবে। দুটো ব্যাটেলিয়ন হবে। ম্যানপাওয়ার হয়ে গেলে, আরও পরিকাঠামো, লজিস্টিক ও থানা গড়া হবে। ১০ মিনিটে পুলিশের রেসপন্স হবে সব গ্রামে। নেশামুক্ত ভারতে রাজ্য পুলিশ, এসটিএফ ও বিএসএফ দারুণ কাজ করেছে। ড্রাগ মাফিয়ার র‍্যাকেট ভাঙা হয়েছে। এই দেশ আমাদের। অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে যে রাস্তায় এসেছে সেই রাস্তায় ফেরত পাঠানো হবে।”

Post Comment

You May Have Missed