Supreme Court: এবার জ্ঞানেশ কুমারের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টে মমতা তৃণমূল! কী জানাল শীর্ষ আদালত?

Last Updated:

Supreme Court: নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের করেছেন তৃণমূল সাংসদ দোলা সেন।

 এবার জ্ঞানেশ কুমারের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টে মমতা তৃণমূল
এবার জ্ঞানেশ কুমারের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টে মমতা তৃণমূল

নয়াদিল্লি: নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল মমতা  তৃণমূল কংগ্রেস। এই মামলায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলের হয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেছেন দোলা সেন।মামলায় জ্ঞানেশ কুমারের পাশাপাশি দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশীকেও পক্ষ (রেসপনডেন্ট) করা হয়েছে।

আগামী সপ্তাহে শীর্ষ আদালতে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নিয়োগকে প্রশ্নের মুখে ফেলে এই প্রথম সুপ্রিম কোর্টে মামলা করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস।

প্রসঙ্গত, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশির নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আগেই একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে৷ সুরি পায়ালা নামে এক ব্যক্তি ওই মামলা দায়ের করেছেন৷ ২০২৩ সালের আইন অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য নির্ধারিত পদ্ধতি মানা হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে ওই মামলায়।

ওই মামলার আবেদনে বলা হয়েছে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার (নিয়োগ, চাকরির শর্ত ও কার্যকালের মেয়াদ) আইন, ২০২৩ অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য সার্চ কমিটির প্রতিটি শূন্যপদের বিপরীতে পাঁচজন সম্ভাব্য প্রার্থীর নামের তালিকা তৈরি করার কথা। কিন্তু ২০২৪ সালের মার্চ মাসে নির্বাচন কমিশনারের দুটি পদ খালি হওয়ার পর মাত্র ছ’জনের নাম প্রস্তাব করা হয়েছিল।

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৩ সালের আইন কার্যকর রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়ে ২০২৪ সালের ২২ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বলা হয়েছিল, আইনের ৬ নম্বর ধারায় পাঁচজন সম্ভাব্য প্রার্থীর কথা উল্লেখ রয়েছে। এর অর্থ, দুটি শূন্যপদের জন্য মোট ১০ জন সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম বাছাই করা উচিত ছিল।

মামলাকারীর দাবি, সার্চ কমিটি চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করার আগেই আইন মন্ত্রকের সচিব বিরোধী দলনেতার কাছে ২০০-রও বেশি ব্যক্তির নামের একটি তালিকা পাঠিয়েছিলেন। তার পরের দিন প্যানেল ছ’জনের নাম সুপারিশ করে এবং সেই তালিকা থেকে জ্ঞানেশ কুমার ও সুখবীর সিং সান্ধুকে বেছে নেওয়া হয়। এই প্রক্রিয়া ২০২৩ সালের আইনের ৬ নম্বর ধারার শর্ত পূরণ করেছিল কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন মামলাকারী।

Post Comment

You May Have Missed