Indian Railways: স্ক্র্যাপ বিক্রি করে রিরাট আয় দক্ষিণ পূর্ব রেলের, মাত্র ৩ মাসে ঘরে ঢুকল ১৪৮ কোটি টাকা! অতীতের রেকর্ড ভেঙে চুরমার

Indian Railways: স্ক্র্যাপ বিক্রি করে রিরাট আয় দক্ষিণ পূর্ব রেলের, মাত্র ৩ মাসে ঘরে ঢুকল ১৪৮ কোটি টাকা! অতীতের রেকর্ড ভেঙে চুরমার

Last Updated:

Indian Railways: চলতি ২০২৬-২৭ আর্থিক বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে বাতিল সামগ্রী বা স্ক্র্যাপ বিক্রি করে সর্বকালীন রেকর্ড গড়ল দক্ষিণ-পূর্ব রেল। এই প্রথম তিন মাসে স্ক্র্যাপ বিক্রি করে রেলের কোষাগারে এসেছে ১৪৮ কোটি ৫৪ লক্ষ টাকা। যা গত আর্থিক বছরের এই সময়ের তুলনায় ২১.২৪ শতাংশ বেশি এবং নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬৫.০৪ শতাংশ অধিক।

স্ক্র্যাপ বিক্রি করে রেকর্ড আয় দক্ষিণ পূর্ব রেলের
স্ক্র্যাপ বিক্রি করে রেকর্ড আয় দক্ষিণ পূর্ব রেলের

খড়গপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, রঞ্জন চন্দ: চলতি আর্থিক বছরের (২০২৬-২৭) প্রথম ত্রৈমাসিকেই বাতিল সামগ্রী বা স্ক্র্যাপ বিক্রি করে সর্বকালীন রেকর্ড গড়ল দক্ষিণ-পূর্ব রেল। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে স্ক্র্যাপ বিক্রি করে রেলের কোষাগারে এসেছে ১৪৮ কোটি ৫৪ লক্ষ টাকা। দক্ষিণ-পূর্ব রেল কর্তৃপক্ষের দাবি, তাদের ইতিহাসে কোনও আর্থিক বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে এত বিপুল অঙ্কের বাতিল সামগ্রী বিক্রির নজির আগে কখনও দেখা যায়নি।

রেল সূত্রের খবর, গত আর্থিক বছরের ঠিক এই সময়ের তুলনায় এবার স্ক্র্যাপ বিক্রি থেকে আয় বেড়েছে প্রায় ২১.২৪ শতাংশ। শুধু তাই নয়, প্রথম ত্রৈমাসিকের জন্য যে লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছিল, তার চেয়েও ৬৫.০৪ শতাংশ বেশি আয় করেছে দক্ষিণ-পূর্ব রেল। দেশের মোট ১৮টি জোনাল রেলওয়ের মধ্যে বাতিল সামগ্রী বিক্রির আয়ের নিরিখে তারা বর্তমানে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন: শেঠ শ্রীলাল মার্কেটের খোলনলচে বদলাতে মাস্টারপ্ল্যান, আর ভিড় ঠেলে করতে হবে না কেনাকাটা

চলতি আর্থিক বছরের প্রথম তিন মাসে রেলের বিক্রি করা বাতিল সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ২২ হাজার ৩৯৮ মেট্রিক টন লোহা (ফেরাস), ৪৪০ মেট্রিক টন অন্যান্য ধাতু (নন-ফেরাস), ৪২টি বাতিল কোচ, ৩০৬টি ওয়াগন এবং ২ হাজার ৯৬৩ মেট্রিক টন অন্যান্য সামগ্রী। রেল আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, বিপুল পরিমাণ এই বাতিল সামগ্রী বিক্রির ফলে রেলের রাজস্ব যেমন বাড়ছে, তেমনই ‘স্বচ্ছ ভারত মিশন’-এর অঙ্গ হিসেবে রেলের চত্বরগুলিও আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকছে। এর ফলে রেলের অব্যবহৃত জায়গাগুলিকেও পুনরায় ঠিকমত কাজে লাগানো সম্ভব হচ্ছে।

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

দক্ষিণ-পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার এ. কে. জৈনের নেতৃত্বে এবং তাঁর পরিকল্পিত ‘জিরো স্ক্র্যাপ মিশন’-এর লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখেই এই বড় সাফল্য এসেছে বলে মনে করছে রেল প্রশাসন। ২০২৬ সালের অক্টোবরের মধ্যে গোটা দক্ষিণ-পূর্ব রেলকে সম্পূর্ণ স্ক্র্যাপ-মুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। সেই লক্ষ্য পূরণে রেলের স্টোরস বিভাগ পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়ার্কশপ, শেড, ডিপো এবং অন্যান্য রেলওয়ে প্রতিষ্ঠানগুলি থেকে বাতিল সামগ্রী চিহ্নিত করে তা দ্রুত সরানোর কাজ জোরকদমে চালিয়ে যাচ্ছে।

Previous post

গ্রেফতার দেবরাজ চক্রবর্তী, খবর পেতেই উৎসব শুরু BJP কর্মীদের, ফাটানো হল বাজি, চলল মিষ্টিমুখও

Next post

Small Savings Interest Rate: স্মল সেভিংস স্কিমের সুদের হার কি বদলাল ? এবার PPF ও সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনায় কত রিটার্ন পাবেন ? জেনে নিন

Post Comment

You May Have Missed