‘হিন্দু ধর্ম মেনে বিয়ে করেছি, স্বামী জেলে গেলে আমিও…’ বলেছিলেন অদিতি! কী বললেন তরুণজ্যোতি?
কলকাতা: গ্রেফতার দেবরাজ চক্রবর্তী (Debraj Chakraborty)। প্রাথমিক নিয়োগে দুর্নীতি, দেবরাজকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল CBI। প্রোমোটারের উপরে হামলাতেও নাম জড়িয়েছিল দেবরাজের। সূত্রের খবর, তাঁকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসা হচ্ছে বাগুইআটি থানায়। আজ রাতে তাঁকে থানাতেই রাখা হবে। আগামীকাল তাঁকে পেশ করা হবে আদালতে। এই একই মামলায় নাম জড়িয়েছে দেবরাজের স্ত্রী অদিতি মুন্সী (Aditi Munshi)-র ও! তিনিও দেবরাজের সঙ্গেই আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। দেবরাজের আগাম জামিনের আবেদনে কোর্ট সাড়া না দিলেও, অদিতির আগাম জামিন মঞ্জুর হয়ে যায়। যেহেতু, অদিতির শিশুসন্তান রয়েছে, সেই কারণেই আগাম জামিন পান অদিতি। তবে জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ার পরেই গ্রেফতার হতে হয় দেবরাজকে।
দেবরাজের গ্রেফতারির পরে অদিতিকে নজিরবিহীন আক্রমণ!
দেবরাজের গ্রেফতারির পরে, বিজেপি বিধায়ক, আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি বলছেন, ‘আজ প্রসেনজিতের আত্মা শান্তি পাবে। রাস্তায় বসে যে ছেলেমেয়েরা কাঁদেন , চাকরি-চুরি হয়ে গিয়েছে বলে, তাঁরা আজ শান্তি পাবেন। গরু-কয়লা চুরির অন্যতম পাণ্ডা, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডান হাত, যে উত্তর চব্বিশ পরগণা কন্ট্রোল করত, সেই দেবরাজ আজ গ্রেফতার হয়েছে। এবার দেবরাজের সঙ্গে যারা কাজ করত, তাদেরও জেলে যাওয়া উচিত। আমার মনে হয়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও এই ইস্যুতেই জেলে যাবে। দেবরাজ তো পুরো পশ্চিমবঙ্গেই পালিয়ে বেড়িয়েছে। ওকে নর্থ বেঙ্গলেও দেখা গিয়েছে… আমি ভাবি, এটা কেমন নেতা? জনগণের নেতা? নিজের বউ-বাচ্চার খোঁজ রাখে না। বউ-বাচ্চাকে ছেড়ে দিয়ে চলে গিয়েছিল। ওনার বউ গান করতেন, তিনিও কিছু কম যান না। সম্পত্তির কিছুটা অংশ তো তাঁর নামেও ছিল। বউ ও জানত, স্বামী শুধু চোর নয়, ডাকাত। খুনের কথাটাও ওর বউ জানতেন। তিনি নিজেও তো এক বাচ্চার মা, জানেন না সন্তান মারা গেলে কী কষ্ট হয়? তারপরেও দেবরাজের সঙ্গেই থেকে গিয়েছেন। নির্বাচনের আগে বলেছিলেন না, ‘আমার স্বামী যদি চুরি করে, তাঁর নামে যদি অভিযোগ হয়, হিন্দু ধর্ম মতে বিয়ে হয়েছে, আমিও যাব জেলে।’ তাহলে যান। এখন আদালতে জামিন চাইতে গিয়েছিলেন কেন? বলুন, ‘আমার স্বামী গ্রেফতার হয়েছে, আমিও হব।’
তরুণজ্যোতি আরও বলেন, ‘উনি মহিলা, এক সন্তানের মা। ওঁকে আমি নির্বাচনের সময় তো আক্রমণ করিনি। কিচ্ছু বলিনি। নাহলে আমার কাছে যা যা স্ক্রিনশট ছিল, যা যা প্রমাণ ছিল, উনি যখন গানের প্রতিযোগীতায় গিয়েছিলেন, যাঁরা যাঁরা ওই প্যানেলে ছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কী ধরণের চ্যাট হত… চ্যাটগুলো আমার কাছে আছে। সেগুলো পাবলিশ করে দিতে পারি। কিন্তু আমি মহিলাদের সম্মান করি… ওঁর বাচ্চা রয়েছে। আমিও বাচ্চার বাবা। বাবা চোর, মা চোর। বাচ্চা কী করবে? বাচ্চাটা ভাল থাকুক, তার জন্যই হয়তো বাইরে রয়েছেন। কোর্ট ও সেটাই মনে করেছে।’
Jisshu Sengupta: যাদের যাদের যা যা বলার, ভালো-মন্দ বা অভিমানের কথা, বলে ফেলা খুব জরুরি



Post Comment