ফের বিয়ে ভাঙছে টেলি জগতে, ডিভোর্স হচ্ছে মাহি বিজ-জয় ভানুশালীর, ১৪ বছরের দাম্পত্যে ইতি

ফের বিয়ে ভাঙছে টেলি জগতে, ডিভোর্স হচ্ছে মাহি বিজ-জয় ভানুশালীর, ১৪ বছরের দাম্পত্যে ইতি


মুম্বই: একসঙ্গে কাটিয়েছেন প্রায় দুই দশক। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বদল এসেছে তাঁদের বোঝাপড়াতেও। গুঞ্জন সত্যি করে সত্যিউ বিবাহবিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন টেলিভিশনের তারকা-জুটি মাহি বিজ এবং জয় ভানুশালী। বেশ কিছদিন ধরেই আলাদা থাকছিলেন তাঁরা। বিবাহবিচ্ছেদের জন্য আবেদনও জানিয়েছেন আদালতে। (Mahhi Vij Jay Bhanushali Divorce)

৪৩ বছর বয়সি মাহি এবং ৪০ বছর বয়সি জয় টেলি জগতের ‘গোল্ডেন কাপল’ হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। একসঙ্গে কেরিয়ারে উত্থান-পতন, পরিবর্তন সবই দেখেছেন তাঁরা। গৃহ সহায়িকার দুই সন্তানকে দত্তক নেওয়ার পাশাপাশি, নিজেদের সন্তানের সঙ্গে তাঁদের বড় করা নিয়েও খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন। কিন্তু তারকা দম্পতির মধ্যে যে সব কিছু ঠিক নেই শোনা যাচ্ছিল বেশ কিছু দিন ধরেই। (Celebrity Divorce)

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, কয়েক মাস আগেই বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন জানান মাহি ও জয়। জুলাই-অগাস্টের মধ্যে দুই তরফে সই করে দেওয়া হয় কাগজে। ছেলেমেয়ে কার সঙ্গে থাকবে, তাও ঠিক হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যে। তবে বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে বিবৃতি দেওয়া থেকে বিরত থাকছেন দুই পক্ষই।


বেশ কয়েক বছর চুটিয়ে প্রেম করার পর ২০১১ সালের ১১ নভেম্বর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মাহি এবং জয়। গৃহ সহায়িকার দুই সন্তান, এক ছেলে রাজবীর ও মেয়ে খুশিকে দত্তক নেন তাঁরা ২০১৭ সালে। ২০১৯ সালে তাঁদের মেয়ে তারার জন্ম হয়। কখনওই তাঁদের নিয়ে সেভাবে বিতর্ক হয়নি। বরং টেলি জগতের অন্যতম দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের নজির হয়ে উঠছিলেন তাঁরা। 

কিন্তু কয়েক মাস আগে মাহি এবং জয়ের বিচ্ছেদ নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। তাঁরা আর এক ছাদের নীচে থাকছেন না বলেও উঠে আসে সংবাদমাধ্যমে। দেখা যায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় আর একসঙ্গে ছবি পোস্ট করছেন না তাঁরা। পরস্পরকে নিয়ে মন্তব্য করা থেকেও বিরত থাকছেন। শেষ বার ২০২৪ সালের জুন মাসে একসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু পোস্ট করেন তাঁরা। এবছর মেয়ে তারার জন্মদিনে একসঙ্গে দেখা গেলেও, কিছু যে ঘটেছে, তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। 

কিন্তু এতদিনের সম্পর্কে চিড় ধরল কেন? সূত্রের খবর, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার সব চেষ্টাই করেলন মাহি এবং জয়। কিন্তু পরিস্থিতি পাল্টায়নি। তাই আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা।  সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে মাহিকে সেই নিয়ে প্রশ্নও করা হয়। কিন্তু তিনি জানান, খবর সত্যি হলেও, তাতে সিলমোহর দেওয়ার কোনও দায় নেই তাঁর। এব্যাপারে কোনও পক্ষকে দোষারোপ করাতেও তিনি বিশ্বাসী নন বলে জানিয়ে দেন।



Previous post

News Today Live : পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর, ‘সিভিয়ার সাইক্লোন’ মন্থা,মঙ্গলবারেই ল্যান্ডফল, ১০০ দিনের কাজ ইস্যুতে পাল্টা তৃণমূলের প্রচারযুদ্ধ, দিনভর আর কী কী?

Next post

Business Idea: রাজ্যে হু হু করে বাড়ছে ‘এই’ ব্যবসা! বাঁকুড়ার ব্যবসায়ীর দেখানো পথ অঢেল লক্ষ্মী লাভ দিতে পারে আপনাকেও

Post Comment

You May Have Missed