দোল মিটলেই নির্বাচনের নির্ঘণ্ট? ৭ বা ৮ নয়, কম দফাতেই ভোট সারতে পারে কমিশন
রুমা পাল, ময়ূখঠাকুর চক্রবর্তী ও অনির্বাণ বিশ্বাস: মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহেই নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করে দেওয়া হতে পারে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। আগের মতো সাত-আট দফায় নয়, এবার অনেক কম দফাতেই বিধানসভা নির্বাচন সারতে পারে কমিশন। পাশাপাশি ভোট নিরাপত্তা নিয়েও প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে কমিশন। ১ মার্চ দিল্লি থেকে রাজ্য়ে আসবেন, এখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র ডেপুটি ইলেকশন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী এবং আরও এক ডেপুটি ইলেকশন কমিশনার মণীশ গর্গ। (West Bengal Assembly Elections 2026)
কবে থেকে শুরু হবে বিধানসভা নির্বাচন? দোলের পরই কি রাজ্যে শুরু হয়ে যাবে ‘ভোটের রং খেলা’? কমিশন সূত্রে অন্তত এমনটাই জানা যাচ্ছে অন্তত তেমনটাই বলছে। মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে দোল পূর্ণিমার পরেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ প্রকাশ করা হতে পারে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। সোমবারই SIR প্রক্রিয়ার সময়সীমা সাত দিন বাড়িয়েছে সর্বোচ্চ আদালত, যার জেরে ১৪ দিন পিছিয়ে গেছে রাজ্যের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন। (West Bengal Elections)
মঙ্গলবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত SIR-এর শুনানি চলবে। এর পর নথি যাচাইয়ের প্রক্রিয়া চলবে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ২৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। আর তারপরেই দিল্লি থেকে রাজ্যে আসবেন নির্বাচন কমিশনের পদস্থ কর্তারা। কমিশন সূত্রে খবর, ১ মার্চ এ রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র ডেপুটি ইলেকশন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী এবং আরও এক ডেপুটি ইলেকশন কমিশনার মণীশ গর্গ আসবেন।
২০২১-এ আট দফায় বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গে, যা এখনও পর্যন্ত সর্বাধিক। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ‘২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন কত দফায় হবে?সূত্রের খবর, দুই অথবা তিন দফায় নির্বাচন হতে পারে। তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, “করোনার সময় সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা ছিল। সেই সময় কম দফায় ভোট করানোর দাবি তোলা হয়েছিল। তখন আট দফায় ভোট করাল আর এখন শুনছি দুই অথবা তিন দফায় ভোট করাতে চাইছে। যত দফাতেই ভোট করুক, তৃণমূল বিপুল ভোটে জিতহে। ভোটে জেতার সঙ্গে দফার কোনও সম্পর্ক নেই।”
অন্য দিকে, বিজেপি-র রাহুল সিনহা বলছেন, “আট দফায় গতবার ভোট হয়েছে। কেউ বলছে এক-দুই, সব দফারফা করে কমিশন যা চাইবে আমরা তৈরি। শর্ত একটাই, প্রত্যেক বুথে বাংলার বাইরের বাহিনী পর্যাপ্ত থাকে যেন।”
রাজ্য় পুলিশের সঙ্গেও বৈঠকের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে সব জেলার পুলিশ অফিসারদের কাছে পৌঁছে গেছে এই চিঠি, তাতে বলা হয়েছে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে মার্চ মাসের ১ ও ২ তারিখে বৈঠক ডাকা হয়েছে। পাশাপাশি, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বেশকিছু তথ্য চাওয়া হয়েছে। আগে থেকে ‘পাওয়ার পয়েন্ট’ ফরম্যাটে সেই তথ্য এবং আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত রিপোর্ট ২৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টার মধ্যে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর।
দোলের পরেই ভোট ঘোষণা?



Post Comment