দুরন্ত উইল জ্যাকস, নিউজ়িল্যান্ডকে হারিয়ে পাকিস্তানের সেমিফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল ইংল্যান্ড

দুরন্ত উইল জ্যাকস, নিউজ়িল্যান্ডকে হারিয়ে পাকিস্তানের সেমিফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল ইংল্যান্ড

কলম্বো: শ্রীলঙ্কার রাজধানীতে মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল নিউজ়িল্যান্ড ও ইংল্য়ান্ড। এই ম্যাচের ওপরে কিন্তু শুধু নিউজ়িল্যান্ডের ভাগ্য নয়, টিকে ছিল পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2026) ভাগ্যও। ইংল্যান্ডের জয়ের আশা করছিলেন সলমন আলি আঘারা। ম্যাচের ৩৭ ওভার খেলা হওয়ার পর সেই আশা ক্রমশই ফিকে হয়ে আসছিল। মনে হচ্ছিল নিউজ়িল্যান্ড ম্যাচ (NZ vs ENG) জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে। তবে ঠিক তখনই জ্বলে উঠলেন উইল জ্যাকস (Will Jacks) এবং রেহান আমেদ।

গোটা টুর্নামেন্টে লোয়ার অর্ডারে বারংবার উইল জ্যাকস ইংল্যান্ডের হয়ে ব্যাট হাতে ত্রাতা হয়ে উঠেছেন। শ্রীলঙ্কার মন্থর, ঘূর্ণি সহায়ক পিচে তাঁর স্পিন খেলার দক্ষতা ইংল্যান্ডকে একের পর এক ম্যাচ জিতিয়েছে। শুক্রবারও তাঁর অন্যথা হল না। কিউয়িদের বিরুদ্ধে অপরাজিত ৩২ রানের ইনিংস খেললেন। আর তাঁর ব্যাটে ভর করেই টানটান ম্যাচে চার উইকেটে জয় পেল ইংল্যান্ড। আর ইংরেজদের জয়ে এখনও পাকিস্তানের সেমিফাইনালের আশা বজায় রাখল।

এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় নিউজ়িল্যান্ড। প্রথমে ব্য়াটে নেমে দুই কিউয়ি ওপেনার ফিন অ্যালেন এবং টিম সেফার্ত দুরন্তভাবে অর্ধশতরানের পার্টনারশিপ গড়েন। তবে পাওয়ার প্লে শেষ হতেই দুই ওপেনার সাজঘরে ফেরেন। ৩৫ রানে সেফার্তকে ফেরান রশিদ, ২৯ রানে অ্যালেনকে আউট করেন জ্যাকস। দুই ওপেনার আউট হওয়ার পরেই রানের গতিতে বিরাম লাগে। রাচিন রবীন্দ্র রানের গতি বাড়াতে ব্যর্থ হন। ১১ রানে তিনি রেহান আমেদের শিকার হন।

মিডল অর্ডারে একমাত্র গ্লেন ফিলিপ্স বাদে কেউই কিউয়িদের হয়ে বড় রান করতে পারেননি। রেহান, রশিদরা নিজেদের স্পিন এবং গতির বৈচিত্রে কিউয়ি ব্যাটারদের বিপাকে ফেলেন। শেষ ওভারে কোনওরকমে ১৫০ রান পার করে কিউয়িরা। ২০ ওভারে তোলে ১৫৯। ইংল্যান্ডের হয়ে চার স্পিনারই সাত উইকেট নেন। ১৬০ রানের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামে ইংল্যান্ড। শুরুটা কিন্তু একেবারে দুঃস্বপ্নের মতোই করে ইংল্যান্ড। দুই ওপেনার ফিল সল্ট ও জস বাটলার যথাক্রমে দুই এবং শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন।

ইংল্যান্ডের মিডল অর্ডারে হ্যারি ব্রুক (২৬) থেকে শুরু টম ব্যান্টন (৩৩), সকলেই শুরুটা ভাল করেও বড় রান করতে পারেননি। ইংল্যান্ডের মতোই  কিউয়ি স্পিনাররাও রানের গতি চাপেন। তবে ১৮তম ওভারেই সবটা বদলে যায়। গ্লেন ফিলিপ্সের বিরুদ্ধে রেহান ও জ্যাকস ১৮তম ওভারে ২২ রান তোলেন। পরের ওভারে আসে ১৬ রান। শেষমেশ তিন বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নেয় ইংল্যান্ড। ৩২ রানে অপরাজিত থাকেন জ্যাকস। রেহানেক সংগ্রহ ১৯। 

Previous post

রাজ্যসভায় তৃণমূলের তারকা প্রার্থী, তালিকায় কোয়েল মল্লিক, বাবুল সুপ্রিয়

Next post

‘যুবসাথী’ প্রকল্পে আবেদন করেছেন…? অ্যাপ্লিকেশন গৃহীত হল নাকি ‘রিজেক্টেড’? এইভাবে করুন ‘চেক’! দেখে নিন স্টেপ বাই স্টেপ গাইড

Post Comment

You May Have Missed